ছোটবেলা থেকেই আব্দুল কাদির জিলানী একটি ধার্মিক পরিবেশে বড় হয়েছিলেন। তার পিতা তাকে কুরআন এবং ইসলামী শিক্ষা সম্পর্কে শিক্ষা দিয়েছিলেন। আব্দুল কাদির জিলানী খুব ছোট বয়স থেকেই ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন এবং তিনি তার জীবনকে ধর্মীয় সাধনার জন্য উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
হযরত আবদুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর বেশ কয়েকজন পুত্র ও কন্যা ছিল, যারা পরবর্তীতে ইসলামের প্রচারে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। তার পুত্র ‘আবদুল ওয়াহহাব’, ‘আবদুর রাজ্জাক’, ‘ঈসা’, ‘মূসা’ এবং জামাতা ‘আবদুল আজীজ’ প্রমুখ তার পথ অনুসরণ করেন। ‘কাদেরিয়া তরিকা’ নামে বিশ্ব বিখ্যাত সুফি তরিকা তার বংশধরদের মাধ্যমেই ছড়িয়ে পড়ে। ভারতবর্ষ, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, তুরস্ক, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন প্রান্তে কোটি কোটি মানুষ কাদেরিয়া তরিকায় মুরিদ। abdul qadir jilani story in bangla
তাঁর শৈশবের সবচেয়ে বিখ্যাত গল্পটি হলো তাঁর বাগদাদ যাত্রার ঘটনা. abdul qadir jilani story in bangla
তার ছোটবেলার একটি সত্যবাদিতার ঘটনা বিশ্বজুড়ে সমাদৃত, যা "গল্পটি বাংলা" (Bangla Story) হিসেবে আমাদের পাঠ্যপুস্তকেও স্থান পেয়েছে: abdul qadir jilani story in bangla
২. সত্যবাদিতার অবিস্মরণীয় গল্প
হজরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহ.) ৪৭০ হিজরি (১০৭৭ খ্রিষ্টাব্দ) সালে ইরানের জিলান (গিলান) প্রদেশে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা হজরত আবু সালেহ (রহ.) একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি ছিলেন। বংশগতভাবে তিনি হজরত হাসান (রা.)-এর মাধ্যমে হজরত আলী (রা.) এবং হজরত ফাতেমা (রা.)-এর সন্তান, ফলে তিনি নবী বংশীয় (সৈয়দ) ছিলেন।